রমজান মাস আল্লাহর বিশেষ রহমত ও মাগফিরাতের সময়। এই পবিত্র মাসে ইবাদতের প্রতিদান বহুগুণ বৃদ্ধি করা হয়। আর যখন
রমজানের মতো বরকতময় সময়ে একজন মুমিন আল্লাহর ঘর বায়তুল্লাহ শরিফে উপস্থিত হয়ে ওমরাহ আদায়
করেন, তখন সেই ইবাদত হয়ে ওঠে
আরও মহিমান্বিত। রমজান এমন একটি মাস, যখন হৃদয় আপনাআপনি আল্লাহর দিকে ফিরে যায়। এই মাসে ওমরাহ আদায় মানে শুধু
সফর নয়, বরং আত্মার এক নীরব আহ্বানে সাড়া দেওয়া। বায়তুল্লাহর ছায়ায় দাঁড়িয়ে বান্দা অনুভব করে আল্লাহর
অবারিত রহমত।
রমজানে ওমরাহর প্রতিটি মুহূর্ত ভরে থাকে ফজিলত ও বরকতে। রাসুলুল্লাহ ﷺ এই ওমরাহকে হজের সমান সওয়াবের ঘোষণা দিয়ে
একে অনন্য মর্যাদা দিয়েছেন। এই ব্লগে আমরা কুরআন ও সহিহ হাদিসের আলোকে জানব, রমজানে ওমরাহর ফজিলত, প্রস্তুতি,
প্রধান আমলসমূহ এবং এই সফরে
কোন ইবাদতগুলো বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
ওমরাহ একটি স্বতন্ত্র ইবাদত, যা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে (হজের দিনগুলো ছাড়া) যেকোনো সময় আদায় করা যায়।
তবে রমজানে ওমরাহর মর্যাদা অন্য সব সময়ের তুলনায় বহুগুণ বেশি। রাসুলুল্লাহ ﷺ ওমরাহর ফজিলত সম্পর্কে বলেন—
বাংলা অনুবাদ: একটি উমরাহ থেকে পরবর্তী উমরাহ পর্যন্ত সময়ের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। আর কবুল
হজের প্রতিদান জান্নাত ছাড়া আর কিছুই নয়।" (সহিহ বুখারি, হাদিস: ১৭৭৩, সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৩৪৯)
রমজানে ওমরাহ পালনের সওয়াব ও ফজিলত
ওমরাহ মানুষকে বাহ্যিক গন্তব্যের চেয়েও গভীর এক যাত্রায় নিয়ে যায়। গুনাহভারে ক্লান্ত
হৃদয় এখানে নতুন করে শুদ্ধতার স্বাদ পায়। রমজানে ওমরাহ যেন
আল্লাহর কাছে ফিরে আসার এক নীরব
অঙ্গীকার। রমজানে ওমরাহ আদায়ের ফজিলত সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ ﷺ স্পষ্টভাবে
উল্লেখ করেছেন। রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেনঃ
বাংলা অনুবাদ: "রমজানে আদায় করা একটি ওমরাহ একটি হজের সমান সওয়াবের অধিকারী।" (সহিহ বুখারি:
১৭৮২, সহিহ মুসলিম)
এই হাদিস প্রমাণ করে যে রমজানে ওমরাহ শুধু নফল ইবাদত নয়, বরং এটি এক বিশাল সওয়াবের সুযোগ। তাই এই মাসে ওমরাহ
পালন ইমানি জীবনে এক বিশেষ অধ্যায়। নিম্নে রমজানে ওমরাহ করার আরও কিছু গুরুত্ব তুলে ধরা হলঃ
রমজান মাসে ইবাদতের সওয়াব বহুগুণ বৃদ্ধি করা হয়, ফলে উমরাহর ফজিলত আরও বেড়ে যায়।
রমজানে উমরাহ গুনাহ মাফ ও আত্মশুদ্ধির এক বড় সুযোগ তৈরি করে।
মসজিদুল হারামে নামাজ ও ইবাদতের সওয়াব অন্যান্য স্থানের তুলনায় বহু গুণ বেশি।
কুরআন নাজিলের মাসে কাবা শরিফে অবস্থান করে তিলাওয়াতের ফজিলত অনন্য।
রমজানে উমরাহ ইমান নবায়ন ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের শ্রেষ্ঠ মাধ্যমগুলোর একটি।
এই সময় দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি থাকে।
রমজানে উমরাহ একজন মুসলমানকে ধৈর্য, ত্যাগ ও তাকওয়ার শিক্ষা দেয়।
রমজানে ওমরাহ পালন করবেন যেভাবে
রমজানে ওমরাহ পালন করার জন্য আগে থেকেই মানসিক ও শারীরিক প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি। ইহরাম বাঁধার আগে আন্তরিক নিয়ত
করুন এবং আল্লাহর সন্তুষ্টিকে একমাত্র লক্ষ্য হিসেবে স্থির রাখুন। রোজা অবস্থায় তাওয়াফ ও সাঈ করার সময় ধৈর্য
ধরে চলুন এবং ভিড়ের মধ্যে অন্যকে
কষ্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। তাওয়াফের সময় নির্দিষ্ট দোয়ার পেছনে না ছুটে নিজের ভাষায় আল্লাহর কাছে চাওয়া
উত্তম।
ইহরাম বাঁধার আগে মানসিক প্রস্তুতি
রমজানে ওমরাহর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল শুরু হয় ইহরাম বাঁধার আগেই। এই সময় নিজের অন্তর পরিষ্কার করা জরুরি।
রমজানে ওমরাহ তখনই সুন্দর হয়, যখন শরীরের সাথে মনও ইহরামে প্রবেশ করে। রমজান কুরআন নাজিলের মাস। আল্লাহ
সুবহানাহু তায়ালা বলেনঃ
شَهْرُ رَمَضَانَ الَّذِي أُنزِلَ فِيهِ الْقُرْآنُ
বাংলা অনুবাদ: "রমজান সেই মাস, যাতে কুরআন নাজিল করা হয়েছে।" (সূরা আল-বাকারা, ২:১৮৫)
আন্তরিক তওবা করা
অতীতের ভুলের জন্য অনুশোচনা
অহংকার, হিংসা ও রাগ পরিত্যাগের নিয়ত
একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সফরের উদ্দেশ্য স্থির করা
বাংলা অনুবাদ: "হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর কাছে খাঁটি তাওবা কর।" (সূরা আত-তাহরিম, ৬৬:৮)
Have questions about our Hajj and Umrah packages?
For you desired umrah packages & prices please feel free to send us a mail. You will get details of our umrah packages from us within very short time In Sha Allah. For any urgency please call us:
রমজানে অধিকাংশ ওমরাহকারী রোজা অবস্থায় তাওয়াফ ও সাঈ সম্পন্ন করেন। এটি কষ্টসাধ্য হলেও সওয়াবে ভরপুর। রোজা ও
ওমরাহ একসাথে হলে, সেই ইবাদতে আত্মসংযমের সৌন্দর্য আরও স্পষ্ট হয়। ইহরাম বাঁধার পর বেশি বেশি তালবিয়া পাঠ করা
সুন্নত।
বাংলা অর্থ: "হে আল্লাহ! আমি আপনার ডাকে সাড়া দিয়েছি, আপনার কোনো শরিক নেই..."
এই সময় যেসব বিষয়ে সচেতন থাকা দরকার—
অযথা তর্ক বা রাগ থেকে বিরত থাকা
ভিড়ের মধ্যে ধৈর্য ও নম্রতা বজায় রাখা
ইবাদতের মাঝে দুনিয়াবি কথাবার্তা কমিয়ে আনা
নিজের কষ্টকে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সহ্য করা
তাওয়াফে রমজানের আমল
কাবা শরিফের চারপাশে তাওয়াফএটি এমন এক ইবাদত, যেখানে ভাষা প্রয়োজন হয় না, হৃদয়ই কথা বলে। এই সময় নিজের
গুনাহ, পরিবারের সমস্যা, উম্মাহর কষ্টসবকিছু আল্লাহর কাছে তুলে ধরা সবচেয়ে সুন্দর আমল। রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেনঃ
الطَّوَافُ بِالْبَيْتِ صَلَاةٌ
বাংলা অনুবাদ: "কাবা শরিফের তাওয়াফ নামাজের মতো (ইবাদত)।" (তিরমিজি)
ধীরে ধীরে হাঁটা উত্তম
বেশি ভিড় হলে সুন্নাহ রক্ষা করতে গিয়ে কষ্ট না বাড়ানো
নির্দিষ্ট দোয়ার চেয়ে নিজের ভাষায় দোয়া করা
চোখের পানি ফেলতে পারলে আল্লাহর কাছে ভাঙা হৃদয়ে চাওয়া
সাঈ করার সময় ধৈর্যের শিক্ষা
সাফা ও মারওয়ার মাঝের সাঈ আমাদের শেখায়আল্লাহর উপর ভরসা কখনো বৃথা যায় না। রমজানে সাঈ করার সময় এই উপলব্ধি
আরও গভীর হয়। রমজানের সাঈ কেবল হাঁটা নয়, এটি বিশ্বাসের এক জীবন্ত শিক্ষা। আল্লাহপাক বলেনঃ
বাংলা অনুবাদ: "নিশ্চয়ই সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত।" (সূরা আল-বাকারা, ২:১৫৮)
হজরত হাজেরা (আ.)-এর ত্যাগ স্মরণ করা
কষ্টের মাঝেও আল্লাহর সাহায্যের আশা রাখা
নিজের জীবনের সংকটগুলোর জন্য দোয়া করা
মক্কায় অবস্থানকালে রমজানের অতিরিক্ত আমল
রমজানে ওমরাহ শেষ হলেও আমল শেষ হয় না। মক্কায় অবস্থানকালই ইবাদতের সোনালি সময়। মসজিদুল হারামে একটি নামাজের
সওয়াব সাধারণ সময়ের তুলনায় বহুগুণ বেশি। এই সময় বেশি করে
নফল নামাজ আদায়
কুরআন তিলাওয়াত
বেশি বেশি দরুদ ও ইস্তেগফার
ইফতারের আগে বিশেষ দোয়া
তাহাজ্জুদ ও কিয়ামুল লাইল
লাইলাতুল কদরের খোঁজ ও দোয়া
রমজানের শেষ দশক ওমরাহ পালনকারীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময় লাইলাতুল কদরের সন্ধান করা হয়।
রমজানে ওমরাহ পালনকারী একজন বান্দা যদি লাইলাতুল কদর পেয়ে যায়, তার জীবনই বদলে যেতে পারে। রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেনঃ
বাংলা অনুবাদ: তোমরা রমজানের শেষ দশকে লাইলাতুল কদর খোঁজ করো।"> ( সহিহ বুখারি, হাদিস: ২০২০, সহিহ মুসলিম, হাদিস:
১১৬৯)
এই রাতগুলোতে
দীর্ঘ দোয়া করা
নিজের ভবিষ্যৎ জীবন আল্লাহর কাছে সমর্পণ করা
ক্ষমা ও হেদায়াত কামনা করা
রমজানে ওমরাহর আসল শিক্ষা
এই ওমরাহ তখনই সফল, যখন মক্কা থেকে ফিরে এসেও চরিত্রে পরিবর্তন দেখা যায়। রমজানে ওমরাহ আমাদের শেখায়
কমে তুষ্ট থাকা
কষ্টে ধৈর্য ধরা
আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা
গুনাহ থেকে ফিরে আসার সাহস
রমজানে ওমরাহ পালনের জন্য স্পেশাল চেকলিস্ট
রমজানে ওমরাহ পালনে আগেভাগে সঠিক প্রস্তুতি নিলে ইবাদত সহজ ও শান্তিপূর্ণ হয়। নিচের চেক লিস্টটি অনুসরণ করলে
সফরের সময় অপ্রয়োজনীয় ঝামেলা এড়ানো সম্ভব।
পাসপোর্ট, ভিসা ও টিকিট আগেই যাচাই করে নেওয়া
রমজানের উপযোগী ওমরাহ প্যাকেজ নির্বাচন করা
ইহরামের কাপড়, বেল্ট ও আরামদায়ক স্যান্ডেল প্রস্তুত রাখা
হালকা ও ঢিলেঢালা পোশাক নেওয়া, যাতে গরমে কষ্ট না হয়
প্রয়োজনীয় ওষুধ, ORS ও ভিটামিন সঙ্গে রাখা
মোবাইল চার্জার, পাওয়ার ব্যাংক ও সিম প্রস্তুত রাখা
সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি সম্পর্কে আগেই ধারণা নেওয়া
দোয়া ও আমলের তালিকা মুখস্থ বা লিখে রাখা
অতিরিক্ত ভিড় ও ক্লান্তি মাথায় রেখে বিশ্রামের সময় ঠিক করা
ধৈর্য, বিনয় ও অন্যের প্রতি সহনশীল থাকার মানসিক প্রস্তুতি নেওয়া
হলি হজ্ব অ্যান্ড উমরাহ: আপনার পবিত্র সফরের বিশ্বস্ত সঙ্গী
উমরাহ মুসলমানের জীবনে সবচেয়ে সম্মানিত ও তাৎপর্যপূর্ণ ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত। এই ইবাদত মানুষের আত্মাকে পরিশুদ্ধ
করে এবং আল্লাহর সাথে সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে। হলি হজ্ব অ্যান্ড উমরাহ হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও
বিশ্বস্ত এজেন্সি। আমাদের বিভিন্ন
হজ্ব প্যাকেজ ও উমরাহ প্যাকেজ থেকে আপনার পছন্দ মত বাচাই করে নিন। নিম্নে আমাদের উমরাহ প্যাকেজ সমুহঃ
Economy Umrah Package
14 days
Visa, Air ticket, Transport, Ziyarah & Guide
Makkah Hotel
: Zaharat al Misfalah 04/ similar. Distance 800miter
Madinah Hotel
: Manar Al-Silver / Similar. Distance 800miter
Travel Date-Jan 14, 20 & 22 | Feb 05 & 25 | Mar 10
Feel free to send us a message. You will get package details from us within a very short time! In Sha Allah.
রমজানে উমরাহ করুন ‘হলি হজ্বের’ সাথে
রমজানে ওমরাহ কোনো বিলাসী সফর নয়। এটি যেন আত্মার একটি পূর্ণিমা রাত। এই মাসে উমরাহ আত্মাকে আল্লাহর দরবারে সঁপে
দেওয়ার এক বিরল সুযোগ। এই মাসে করা প্রতিটি তাওয়াফ, প্রতিটি দোয়া, প্রতিটি অশ্রুসবই আল্লাহর কাছে অমূল্য।
দেরী না করে আজই যোগাযোগ করুন‘হলি হজ এন্ড ওমরাহ’র
সাথে।
যে ব্যক্তি রমজানে ওমরাহ করে, সে যেন শুধু কাবা দেখে নাসে নিজের ভেতরকার মানুষটিকেও নতুন করে চিনে নেয়। আল্লাহ
আমাদের সবাইকে রমজানে ওমরাহ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
রমজানে ওমরাহ করার ফজিলত অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ। হাদিসে এসেছে, রমজানে আদায় করা ওমরাহ হজের
সমান সওয়াবের অধিকারী। এ সময় করা প্রতিটি ইবাদতের প্রতিদান আল্লাহ বহুগুণে বাড়িয়ে দেন।
রমজান এমন এক মাস, যেখানে গুনাহ মাফের দরজা সবচেয়ে বেশি
খোলা থাকে। ওমরাহর মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর আরও নিকটবর্তী হয়। এই মাসে কষ্টসহ ইবাদত করলে
সওয়াব আরও বৃদ্ধি পায়। তবে মনে রাখতে হবে, এটি ফরজ হজের বিকল্প নয়।
রোজা রেখে কি ওমরাহ করা যায়?
হ্যাঁ, রোজা রেখেই ওমরাহ করা যায়। অনেক মুসল্লি রোজা অবস্থায় তাওয়াফ ও সাঈ করেন।
কষ্ট কিছুটা বেশি হলেও সওয়াব বাড়ে। শরীরের সক্ষমতা অনুযায়ী আমল করা উত্তম।
রমজানে ওমরাহ কি হজের বিকল্প হিসেবে ধরা হয়?
না, রমজানের ওমরাহ হজের বিকল্প নয়। হজ ফরজ ইবাদত এবং আলাদা দায়িত্ব। ওমরাহ সুন্নাহ এবং
ঐচ্ছিক ইবাদত। সওয়াবের দিক থেকে তুলনা করা হয়েছে।
রমজানে ওমরাহ করার সেরা সময় কোনটি?
রমজানের শেষ দশক সবচেয়ে উত্তম সময়। এই সময় লাইলাতুল কদর পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
ইবাদতের ফজিলত বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। অনেকেই এই সময় ওমরাহ করতে চান।
রোজা অবস্থায় তাওয়াফ করলে কী বিষয় খেয়াল রাখতে হবে?
ধীরে ও শান্তভাবে তাওয়াফ করা উচিত। ভিড় এড়িয়ে সহজ পথে চলা ভালো।
অতিরিক্ত চাপ নিলে অসুস্থতা হতে পারে। ধৈর্য ও নম্রতা বজায় রাখা জরুরি।
রমজানে ওমরাহ করার সময় কোন দোয়া বেশি পড়বেন?
নিজের ভাষায় দোয়া করাই সবচেয়ে উত্তম। ইস্তেগফার ও ক্ষমার দোয়া বেশি পড়া ভালো।
দরুদ শরিফ পড়লে সওয়াব বাড়ে। রমজানে দোয়া কবুলের সম্ভাবনা বেশি।
নারীরা কি রমজানে ওমরাহ পালন করতে পারেন?
হ্যাঁ, নারীরা রমজানে ওমরাহ করতে পারেন। শরিয়তের সব বিধান মেনে চলতে হয়। মাহরাম সংক্রান্ত
নিয়ম মানা জরুরি। স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার দিকেও খেয়াল রাখতে হয়।
রমজানে ওমরাহ করতে সাধারণত কত দিন লাগে?
সাধারণত ৭ থেকে ১০ দিন সময় লাগে। অনেকে ১০ বা ১৫ দিনের প্যাকেজ নেন।
সময় নির্ভর করে সফর পরিকল্পনার ওপর। ইবাদতের সুযোগ অনুযায়ী দিন বাড়ানো যায়।
রমজানে ওমরাহর জন্য কী ধরনের প্রস্তুতি দরকার?
মানসিক প্রস্তুতি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শারীরিক সক্ষমতা বাড়ানো দরকার।
সহজ পোশাক ও প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে রাখতে হয়। আগে থেকেই নিয়মকানুন জেনে নেওয়া ভালো।
ওমরাহ শেষে মক্কায় কোন আমল বেশি করা উচিত?
নফল নামাজ বেশি আদায় করা উত্তম। কুরআন তিলাওয়াতে সময় দেওয়া ভালো।
ইফতারের আগের দোয়া বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তাহাজ্জুদ ও কিয়ামুল লাইল আদায় করা যায়।
রমজানে একাধিকবার ওমরাহ করা কি উত্তম?
রমজানে একাধিকবার ওমরাহ করা জায়েজ। তবে কষ্ট বা অন্যের অসুবিধা করা উচিত নয়।
ইবাদতের মান বজায় রাখা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কম ওমরাহ করেও বেশি আমল করা যায়।
রমজানে ওমরাহ করলে কী কী বিষয় এড়িয়ে চলা উচিত?
অযথা তর্ক ও রাগ এড়িয়ে চলতে হবে। ভিড়ে ধাক্কাধাক্কি করা ঠিক নয়। দুনিয়াবি কথাবার্তা কম
করা ভালো। ইবাদতের পরিবেশ নষ্ট করা উচিত নয়।